নো অংশেই তৃণমূলকে ছাড় নয়! ইতোমধ্যে কপ্টার ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। অভিষেক ব্যানার্জি থেকে মমতা ব্যানার্জি সভার মাঝখানে নামছেন কপ্টার থেকে। সেখানে দাঁড়িয়ে এখনো বিজেপি নেতারা গাড়িতে করেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছেন।
এ চিত্র এবার পালটে যাবে। বিশেষ করে দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীসহ প্রথমসারির নেতাদের ভোট প্রচারের চাপ বাড়বে। এই অবস্থায় কপ্টার প্রয়োজন। আর সে কারণে দ্রুত তিনটি কপ্টার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সভার মাঝখানে কপ্টার থেকে নামছেন নেতা! : ভারতে ভোটের প্রচারে কপ্টার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। জাতীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতি-কপ্টারের ব্যবহার সবখানেই। একেবারে সভাস্থলের পাশে করা হয় হেলিপ্যাড। আকাশ থেকে নেমে আসছেন তাদের প্রিয় নেতা! এটা একটা প্রভাব পড়ে জনমানসে। আর সেটাই কাজে লাগান নেতারা। তবে বিধানসভা ভোটে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের জন্য কপ্টার সম্ভবত প্রথম বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে বিধান সভা নির্বাচনের আগে ‘খেলা হবে’ বলে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। এর পর থেকেই ‘খেলা হবে’ সংলাপটি রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গে।
‘খেলা হবে’ শিরোনামে তৈরি হয়েছে গানও, যা বাজছে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারণায়। এবার টি-শার্টের গায়ে জায়গা করে নিয়েছে ‘খেলা হবে’। বিক্রিও হচ্ছে দেদার।
পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে শাসক থেকে বিরোধী সবার মুখে মুখে এখন ‘খেলা হবে’। রাজনীতির ময়দান থেকে অরাজনৈতিক মানুষজনও ‘খেলা হবে’তে মজেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ায় দেদার বিক্রি হচ্ছে ‘খেলা হবে’ লেখা টি-শার্ট। শীত বিদায় জানিয়ে গরম চলে আসায় চাহিদা বাড়ছে টি-শার্টের। আর এর ওপর ‘খেলা হবে’ টি-শার্ট যেন ‘হট কেকে’ পরিণত হয়েছে।
কাটোয়া শহরের পানুহাটের পোশাক ব্যবসায়ী রিপন দেবনাথ বলেন, “বাজারে যখন যেটা বেশি চালু থাকে, সেটাকে ডিজাইনের মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করি। যাতে যুবসমাজ আকর্ষিত হয়। তাই এবার ‘খেলা হবে’ স্লোগান বাছা হয়েছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে ‘খেলা হবে’ সবচেয়ে হিট শব্দবন্ধ।”

Post a Comment